Recent Updates RSS Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • Enam [এনাম] 1:33 pm on December 4, 2010 Permalink | Reply
    Tags:   

    পড়াশোনা আর পরীক্ষার চাপ টা গেলেই আবার নতুন উদ্দ্যমে কাজ শুরু করতে হবে।

     
  • Enam [এনাম] 11:41 am on November 20, 2010 Permalink | Reply  

    নজরুল স্যার সহ আরও দু’জন কমপ্লেইন করলেন দোহার ব্লগ নাকি ওপেন হচ্ছেনা। কিন্তু আমি তো কোন সমস্যা পাচ্ছিনা।

     
  • Enam [এনাম] 11:10 pm on November 1, 2010 Permalink | Reply  

    দোহারে যাব কাল অথবা পরশু।

     
  • Enam [এনাম] 11:09 pm on November 1, 2010 Permalink | Reply  

    রবিন ভাই, ২ টা ব্যপার ক্লিয়ার করতে বলছিলাম।

     
    • The Ugly Asian 1:15 পুর্বাহ্ন on নভেম্বর 2, 2010 Permalink | Reply

      কোন দুইটা?

  • Enam [এনাম] 9:32 pm on October 26, 2010 Permalink | Reply  

    কালকে পরীক্ষা।

     
  • Enam [এনাম] 9:42 pm on October 23, 2010 Permalink | Reply
    Tags:   

    আমন্ত্রন কার্যক্রম শুরু করিলাম।।।

     
  • Enam [এনাম] 12:33 pm on October 21, 2010 Permalink | Reply
    Tags: , ব্লগ   

    যাত্রার শুরুতে… [দোহার ব্লগে আমার প্রথম পোস্ট] 

    রাজধানী ঢাকা থেকে মাত্র ৬৪ কিলোমিটার দুরে, বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদী পার হয়ে। আমাদের দোহাব আকৃতি, আয়তন, যোগাযোগ আর অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বিচারে মোটামুটি সমৃদ্ধ একটি ছোট শহরের মতই, কিন্তু আমরা দোহারবাসী দোহারের এলাকা গুলোকে গ্রাম বলতেই বেশি ভালবাসি। গ্রাম শব্দটার মাঝে শৈশব শৈশব একটা গন্ধ আছে।

    বেশ কয়েক বছর আগের দোহার আর বর্তমান ২০১০ এর দোহারের মাঝে অবশ্য খুব বেশি মিল নেই, থাকার  কথাও না। পরিবর্তন হয়েছে সময়ের, পরিবর্তন হয়েছে মানুষের সেই সাথে পরিবর্তিত হয়েছে সমাজের। ৮০-৯০ দশকের দোহারের শিক্ষার হার বর্তমানের শিক্ষার হারের তুলনায় অনেক কম। আবার ৯০ দশকের মাঝেই দোহার থেকে বিকশিত হয়েছে দেশের বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য কিছু সুর্যসন্তান।

    পুরোটা পড়ুন

     
    • কদর্য এশীয় 11:26 অপরাহ্ন on অক্টোবর 21, 2010 Permalink | Reply

      এনাম তোমার কাছে এন্তার এন্তার লেখা চাই।

      আর এই লেখাটির বিষয়ে পরে মন্তব্য করছি।

      • Enam [এনাম] 2:56 পুর্বাহ্ন on অক্টোবর 22, 2010 Permalink | Reply

        পরীক্ষা টা যাক…। তারপর…।

    • tusin 9:14 পুর্বাহ্ন on অক্টোবর 22, 2010 Permalink | Reply

      হুম ভাল লাগল…চালিয়ে যান…

      • Enam [এনাম] 4:10 অপরাহ্ন on অক্টোবর 22, 2010 Permalink | Reply

        কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।

    • Nazrul Islam Khan 12:48 পুর্বাহ্ন on নভেম্বর 1, 2010 Permalink | Reply

      Dear ENAM
      Excellent , congratulation for your creativity. Live long and shine you & us. Nazrul sir

    • Enam 5:59 পুর্বাহ্ন on নভেম্বর 1, 2010 Permalink | Reply

      Thank you very much Sir, for your encouragement…

  • The Ugly Asian 2:59 pm on September 12, 2010 Permalink | Reply
    Tags: ব্লগার   

    দোহারের ব্লগার 

    …:: দোহারের ব্লগার ::…

    ১. খলিল মাহমুদ

    ছদ্মনাম: সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালি ছাই

    ব্লগ সমূহ:

    ২. শিমুল বাশার

    ছদ্মনাম:

    ব্লগ সমূহ:

    

    ৩. পারভেজ রবিন

    ব্লগ সমূহ:

    ৪. এনাম

    ছদ্মনাম: এন্তার এত্তেলা

    ব্লগ সমূহ:

    ৫. মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন

    সামাজিক ব্লগ:

    ৬. হামিদুর রহমান পলাশ

    ব্লগ:

    পুরোটা পড়ুন

     
    • Nijum Akter Bela 11:30 পুর্বাহ্ন on অক্টোবর 25, 2010 Permalink | Reply

      Very good news for us. We are appreciate it. I am from Joypara,Dohar,Dhaka.

      • Enam [এনাম] 12:57 অপরাহ্ন on অক্টোবর 25, 2010 Permalink | Reply

        I’ve just seen your blog. It’s very nice. Rich contents.
        And you are welcome here… Your name will be listed immidiately…

      • The Ugly Asian 5:30 অপরাহ্ন on অক্টোবর 25, 2010 Permalink | Reply

        আপনাকে লেখক ও পাঠক হিসেবে আশা করি।

    • Salma Rahman 1:43 অপরাহ্ন on অক্টোবর 25, 2010 Permalink | Reply

      Very nice step for Dohar. Go ahead. We are with you. I am from Botia.

      • এনাম 3:30 অপরাহ্ন on অক্টোবর 25, 2010 Permalink | Reply

        ধন্যবাদ।

      • The Ugly Asian 5:31 অপরাহ্ন on অক্টোবর 25, 2010 Permalink | Reply

        আমরা এগিয়ে যেতে চাই, এই যাত্রায় সঙ্গী হবেন আশা করি। আপনিও লিখুন, আপনাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    • Hamidur Rahman 6:43 অপরাহ্ন on অক্টোবর 25, 2010 Permalink | Reply

      Thanks a lot for add me in Dohar blog.

    • Hamidur Rahman 9:10 অপরাহ্ন on অক্টোবর 26, 2010 Permalink | Reply

      প্রশাসনিক দুর্নীতির আদি ও মূল রূপ হলো ‘ঘুষ’।

      প্রাচীন যুগে রাষ্ট্রের উদ্ভবের পর থেকেই দুর্নীতি হিসেবে ঘুষের প্রচলন। আমাদের দেশেও বহুযুগ আগে থেকেই তার প্রচলন দেখতে পাওয়া যায়। তবে তখনকার যুগে ঘুষ দেয়া-নেয়াটা ছিল অপ্রচলিত বিশেষ ঘটনা। রাষ্ট্রের প্রশাসনিক সংস্কৃতিতে তাকে প্রতিষ্ঠিত স্থান করে দেয়া হয় ব্রিটিশ শাসনামলে। কোম্পানির শাসনামলের ক্লাইভ, হেস্টিংস-এর কাল থেকেই ঘুষের প্রচলন নতুন মাত্রিকতায় উন্নীত হয়। সেসব ঔপনিবেশিক দেশ এখন সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে তাদের স্বার্থ সিদ্ধির নোংরা খেলা এখনো চলছে। পরিমাণ ও মাত্রায় তা আজ আরো বেড়েছে। অপ্রয়োজনীয় এমনকি ক্ষতিকর প্রজেক্ট, অসম নানা শর্ত চাপিয়ে দেয়া ইত্যাদি ছাড়াও প্রায় প্রকাশ্যভাবে কমিশনের লেনদেনের কারবারে তাদের ওস্তাদি এখনো ভালোভাবেই চলছে। ঘুষ-দুর্নীতির সেই রোগ থেকে আমাদের দেশের প্রশাসনকে মুক্ত করা তাই আজও সম্ভব হয় নি। বরং ঘুষের লেনদেন প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড সচল রাখার একটি আবশ্যিক উপাদানে পরিণত হয়েছে। বিগত বি.এন.পি-জামাত জোটের শাসন আমলে ব্যাপক ভাবে এর বিস্তার লাভ করে।

      ঘুষ দিয়ে রাজনীতিকেও ব্যাপকভাবে কলুষিত করার প্রক্রিয়া ১৯৭৫-এর পর জেনারেল জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনামলে অনেকটাই অফিসিয়ালি সূচিত হয়। জেনারেল জিয়া বলেছিলেন যে, তিনি রাজনীতিকে প্রচলিত রাজনীতিকদের জন্য ডিফিকাল্ট করে তুলবেন। রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাসহ প্রশাসনকে ব্যবহার করে টাকা-পয়সার লেনদেনের মাধ্যমে একশ্রেণীর রাজনীতিকদের কেনাবেচার প্রক্রিয়ার ব্যাপক প্রচলন ঘটানো হয়। জেনারেল এরশাদের আমলে দুর্নীতির প্রাইভেটাইজেশনের পথে বড় রকম সাফল্য । ঘুষের আদান-প্রদানের সাথে যুক্ত করা হয় টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, সামাজিক অপরাধমূলক কাজকর্ম ইত্যাদি। বিপুল পরিমাণ অবৈধ কালো টাকার কারবারের সাথে রাষ্ট্রীয় প্রশাসন যুক্ত হয়ে স্থাপন করে একটি অদৃশ্য ‘দুর্নীতি ইনডাস্ট্রি’। তার পরে এরশাদী স্বৈরশাসন উচ্ছেদ হওয়া সত্ত্বেও ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ৪/৫টি সরকারের আমলে এই ‘দুর্নীতি-ইনডাস্ট্রি’ শুধু বহালই থাকে নাই, তা আরো বিশাল শক্তিধর ও কর্তৃত্বাধীন হয়েছে।

      অনেকের মতে দুর্নীতি করার ক্ষেত্রে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সমান ওস্তাদী দেখাতে পারলেও পদ্ধতির ক্ষেত্রে তাদের দু’পক্ষের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে। উদাহরণ দিতে গিয়ে অনেকে এভাবে বলতো যে, আওয়ামী লীগের দুর্নীতিবাজরা বেনসন সিগারেটের প্যাকেটে স্টার সিগারেট ঢুকিয়ে বুক পকেট প্রদর্শন করে ঘোরাফেরা করে থাকে, আর বিএনপির দুর্নীতিবাজরা স্টারের প্যাকেটে বেনসন রেখে লোকজনের সামনে চলাফেরা করে থাকে। এই পর্যবেক্ষণটি সেই সত্তর-আশির দশক থেকেই প্রচলিত। এখনো তা অনেকটাই সত্য।

      বিএনপি’র দুর্নীতি অনেক আধুনিক ও সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে পরিচালিত। বড় বড় অঙ্কের বিশাল সেসব লেনদেন ও পার্সেন্টেজের কারবার। শহরে আভিজাত্যের মোড়কে তা সুসজ্জিত। তাদের ক্ষেত্রে দুর্নীতির সিন্ডিকেট ব্যবস্থা মসৃন। নির্দিষ্ট ভবন ও কেন্দ্র থেকে তা পরিচালিত। নেটওয়ার্কের সবাই পরস্পরকে দুর্নীতির কাজে সহযোগিতা করে, সবাই দুর্নীতির ফসলের ভাগ পায়। সবাই সহজে সে লুটপাটের খবর টের পায় না। ঝাগড়া-বিবাদও কম হয়। একটি মসৃণ মেশিনের মতো সমস্ত প্রক্রিয়াটি কাজ করে যায়।

      আওয়ামী লীগের দুর্নীতি সেই তুলনায় অনেকটাই অনাধুনিক ও গ্রাম্য ধাঁচের। তাদের দুর্নীতির সাংগঠনিক-প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা খুবই কাঁচা, এমনকি তা নেই বললেই চলে। উপর-নিচ সব ক্ষেত্রেই এখানে ব্যক্তিগত প্রয়াস ও একান্ত ব্যক্তিগত স্বার্থই দুর্নীতির প্রধান ভিত্তি। শৃঙ্খলার সাথে দুর্নীতির ফসল পরস্পর মিলে ভাগ বাটোয়ারা করে নিতে তারা কার্যত অপারগ। কেউ অন্য কাউকে ভাগ দিতে রাজি নয়। তাই লুটপাটের ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে নিজেদের মধ্যে প্রকাশ্য সংঘাত, হানাহানি ও নৈরাজ্য অনেক বেশি। দুর্নীতির সমগ্র প্রক্রিয়া “পারসনালাইজম” হওয়ার কারণে তা এক অর্থে বিকেন্দ্রীভূত। তৃণমূল থেকে ঊর্ধ্বতন স্তর পর্যন্ত পর্যায়ে পর্যায়ে তা বিস্তৃত হলেও সব স্তরেই তার ক্রীড়নক ক্যাডার-কর্মী-নেতারা স্বাধীন-স্বতন্ত্র-স্বউদ্যোগী একেকটি বিচ্ছিন্ন দুর্নীতির ইউনিট। আওয়ামী লীগ প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণ করেনি, কিন্তু দুর্নীতির বিকেন্দ্রীকরণ ভালোভাবেই করতে পেরেছে।দুর্নীতিবাজদের রুখতে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলতে হবে, জেহাদ করতে হবে, যুদ্ধ করতে হবে এদের বিরুদ্ধে। আজকে বাংলার জনগনের এক নম্বর কাজ হবে দুর্নীতিবাজদের বাংলার মাটি থেকে উৎখাত করা। গণআন্দোলন করতে হবে। এমন আন্দোলন করতে হবে যে, যে ঘুষখোর, যে দুর্নীতিবাজ, যে মুনাফাখোরঃ তাদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে।

      বঙ্গবন্ধু দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে তৃণমূলে ছড়িয়ে দেয়ার ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই দুর্নীতিবিরোধী অভিযান নয়, বর্তমানে বরঞ্চ উল্টো দুর্নীতিই ছড়িয়ে পড়েছে তৃণমূল পর্যন্ত। আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব কি এই উল্টোমাত্রার পরিস্থিতি উপলব্ধি করতে সক্ষম হবেন? তারা কি দলকে ফিরিয়ে নিতে পারবেন বঙ্গবন্ধুর আহ্বানের ধারায় গ্রামে গ্রামে দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন সংগঠিত করতে? ইতিহাস এই শিক্ষাই দেয় যে, ‘রাজনীতি হলো অর্থনীতিরই ঘনীভূত প্রকাশ’। একটি দল ও তার নেতৃত্ব কোনোদিন তার শ্রেণী স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠতে পারে না। তাই, একটি মহা জন জাগরণই কেবল প্রবল ঝাঁকুনি দিয়ে পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তনের ধারা সূচনা করতে পারে। যেমন করেছে রূপগঞ্জের সাধারন জনগন।অন্য কিছু নয়……………………..।

      • কদর্য এশীয় 11:29 অপরাহ্ন on নভেম্বর 1, 2010 Permalink | Reply

        পোস্টটি মন্তব্য আকারে দিয়ে ফেলেছেন। আপনাকে লেখক হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে, এই লেখাটিকে পোস্ট আকারে প্রকাশ করুন।

    • পারভেজ রবিন 10:57 অপরাহ্ন on ডিসেম্বর 9, 2011 Permalink | Reply

      ‘নিউজ ৩৯’ দোহার ও নবাবগঞ্জ জন্য একটি অনলাইন পত্রিকা। যদিও এটি লোকাল খবরকে প্রাধান্য দেয়, তবু আন্তর্জাতিক, জাতীয় ও খেলাধুলার খবরকেও গুরুত্ব দিয়ে থাকে। পত্রিকার ওয়েবসাইট http://www.news39.net -এ নিয়মিত ভিজিট করুন, চলমান বিশ্বের সাথে আপডেট থাকুন, ও দোহার-নবাবগঞ্জকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে আমাদের সঙ্গী হোন। এই দূর্গম পথচলায় আপনাদের সহযোগীতা কাম্য। নিউজ ৩৯-এর ফেসবুক পেজে (http://www.facebook.com/News39) যোগ দিন, আপনাদের মতামত জানান, লিখুন আপনার এলাকার জন্য, হয়ে যান নিউজ ৩৯-এর একজন।

  • Lenin 3:48 pm on August 1, 2010 Permalink | Reply  

    অনেক দিন যাই না প্রিয় গ্রামের বাড়িতে। তাই লেখার কিছুও পাইনা।

     
    • Rony Parvej 1:46 অপরাহ্ন on অগাষ্ট 5, 2010 Permalink | Reply

      আহারে!
      ঘুরে আসেন সময় করে একদিন।

    • The Ugly Asian 12:35 পুর্বাহ্ন on অগাষ্ট 10, 2010 Permalink | Reply

      শৈশব নিয়ে লিখতে পারেন, যখন গ্রামে ছিলেন।

  • The Ugly Asian 10:13 pm on January 7, 2010 Permalink | Reply
    Tags: জয়পাড়া, ব্যাংক, Bank, Joypara   

    সিটি ব্যাংক আসছে জয়পাড়ায়, বেসরকারী ব্যাংকের সংখ্যা দাড়াল বারোতে 

    খুব শীঘ্রই জয়পাড়া পূর্ব বাজারে চালু হচ্ছে সিটি ব্যাংকের এসএমই শাখা। সিটি ব্যাংক সহ জয়পাড়ায় বর্তমানে বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক হল বারোটি। এছাড়া রয়েছে তিনটি সরকারী ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক ও গ্রামীন ব্যাংক। জয়পাড়ায় প্রথম বেসরকারী ব্যাংক হিসেবে আসে এবি ব্যাংক এর পর মার্কেন্টাইল ব্যাংক। এখানে মাত্র এক বর্গকিলোমিটারের ভেতরে সরকারী বেসরকারী মিলিয়ে মোট বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে পনেরটি। কোন শহরাঞ্চলের বাইরের জন্য একটি রেকর্ড হবার সম্ভবনা আছে(দোহার যদিও পৌরসভা তবু এটি এখনো শহুরে যোগ্যতা অর্জন করতে পারে নি)। জয়পাড়ার বাইরে বেশক’টি সরকারী ও বেসরকারী ব্যাংক রয়েছে।

    বেসরকারী ব্যাংক সমূহ (জয়পাড়া):
    ১. এবি ব্যাংক
    ২. মার্কেন্টাইল ব্যাংক
    ৩. ওয়ান ব্যাংক
    ৪. ঢাকা ব্যাংক
    ৫. ডাচ বাংলা ব্যাংক পুরোটা পড়ুন

     
c
compose new post
j
next post/next comment
k
previous post/previous comment
r
reply
e
সংশোধন
o
show/hide comments
t
go to top
l
go to login
h
show/hide help
shift + esc
cancel
Follow

Get every new post delivered to your Inbox.