Updates from The Ugly Asian RSS Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts

  • The Ugly Asian 2:59 pm on September 12, 2010 Permalink | Reply
    Tags: ব্লগার   

    দোহারের ব্লগার 

    …:: দোহারের ব্লগার ::…

    ১. খলিল মাহমুদ

    ছদ্মনাম: সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালি ছাই

    ব্লগ সমূহ:

    ২. শিমুল বাশার

    ছদ্মনাম:

    ব্লগ সমূহ:

    

    ৩. পারভেজ রবিন

    ব্লগ সমূহ:

    ৪. এনাম

    ছদ্মনাম: এন্তার এত্তেলা

    ব্লগ সমূহ:

    ৫. মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন

    সামাজিক ব্লগ:

    ৬. হামিদুর রহমান পলাশ

    ব্লগ:

    পুরোটা পড়ুন

     
    • Nijum Akter Bela 11:30 পুর্বাহ্ন on অক্টোবর 25, 2010 Permalink | Reply

      Very good news for us. We are appreciate it. I am from Joypara,Dohar,Dhaka.

      • Enam [এনাম] 12:57 অপরাহ্ন on অক্টোবর 25, 2010 Permalink | Reply

        I’ve just seen your blog. It’s very nice. Rich contents.
        And you are welcome here… Your name will be listed immidiately…

      • The Ugly Asian 5:30 অপরাহ্ন on অক্টোবর 25, 2010 Permalink | Reply

        আপনাকে লেখক ও পাঠক হিসেবে আশা করি।

    • Salma Rahman 1:43 অপরাহ্ন on অক্টোবর 25, 2010 Permalink | Reply

      Very nice step for Dohar. Go ahead. We are with you. I am from Botia.

      • এনাম 3:30 অপরাহ্ন on অক্টোবর 25, 2010 Permalink | Reply

        ধন্যবাদ।

      • The Ugly Asian 5:31 অপরাহ্ন on অক্টোবর 25, 2010 Permalink | Reply

        আমরা এগিয়ে যেতে চাই, এই যাত্রায় সঙ্গী হবেন আশা করি। আপনিও লিখুন, আপনাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    • Hamidur Rahman 6:43 অপরাহ্ন on অক্টোবর 25, 2010 Permalink | Reply

      Thanks a lot for add me in Dohar blog.

    • Hamidur Rahman 9:10 অপরাহ্ন on অক্টোবর 26, 2010 Permalink | Reply

      প্রশাসনিক দুর্নীতির আদি ও মূল রূপ হলো ‘ঘুষ’।

      প্রাচীন যুগে রাষ্ট্রের উদ্ভবের পর থেকেই দুর্নীতি হিসেবে ঘুষের প্রচলন। আমাদের দেশেও বহুযুগ আগে থেকেই তার প্রচলন দেখতে পাওয়া যায়। তবে তখনকার যুগে ঘুষ দেয়া-নেয়াটা ছিল অপ্রচলিত বিশেষ ঘটনা। রাষ্ট্রের প্রশাসনিক সংস্কৃতিতে তাকে প্রতিষ্ঠিত স্থান করে দেয়া হয় ব্রিটিশ শাসনামলে। কোম্পানির শাসনামলের ক্লাইভ, হেস্টিংস-এর কাল থেকেই ঘুষের প্রচলন নতুন মাত্রিকতায় উন্নীত হয়। সেসব ঔপনিবেশিক দেশ এখন সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে তাদের স্বার্থ সিদ্ধির নোংরা খেলা এখনো চলছে। পরিমাণ ও মাত্রায় তা আজ আরো বেড়েছে। অপ্রয়োজনীয় এমনকি ক্ষতিকর প্রজেক্ট, অসম নানা শর্ত চাপিয়ে দেয়া ইত্যাদি ছাড়াও প্রায় প্রকাশ্যভাবে কমিশনের লেনদেনের কারবারে তাদের ওস্তাদি এখনো ভালোভাবেই চলছে। ঘুষ-দুর্নীতির সেই রোগ থেকে আমাদের দেশের প্রশাসনকে মুক্ত করা তাই আজও সম্ভব হয় নি। বরং ঘুষের লেনদেন প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড সচল রাখার একটি আবশ্যিক উপাদানে পরিণত হয়েছে। বিগত বি.এন.পি-জামাত জোটের শাসন আমলে ব্যাপক ভাবে এর বিস্তার লাভ করে।

      ঘুষ দিয়ে রাজনীতিকেও ব্যাপকভাবে কলুষিত করার প্রক্রিয়া ১৯৭৫-এর পর জেনারেল জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনামলে অনেকটাই অফিসিয়ালি সূচিত হয়। জেনারেল জিয়া বলেছিলেন যে, তিনি রাজনীতিকে প্রচলিত রাজনীতিকদের জন্য ডিফিকাল্ট করে তুলবেন। রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাসহ প্রশাসনকে ব্যবহার করে টাকা-পয়সার লেনদেনের মাধ্যমে একশ্রেণীর রাজনীতিকদের কেনাবেচার প্রক্রিয়ার ব্যাপক প্রচলন ঘটানো হয়। জেনারেল এরশাদের আমলে দুর্নীতির প্রাইভেটাইজেশনের পথে বড় রকম সাফল্য । ঘুষের আদান-প্রদানের সাথে যুক্ত করা হয় টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, সামাজিক অপরাধমূলক কাজকর্ম ইত্যাদি। বিপুল পরিমাণ অবৈধ কালো টাকার কারবারের সাথে রাষ্ট্রীয় প্রশাসন যুক্ত হয়ে স্থাপন করে একটি অদৃশ্য ‘দুর্নীতি ইনডাস্ট্রি’। তার পরে এরশাদী স্বৈরশাসন উচ্ছেদ হওয়া সত্ত্বেও ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ৪/৫টি সরকারের আমলে এই ‘দুর্নীতি-ইনডাস্ট্রি’ শুধু বহালই থাকে নাই, তা আরো বিশাল শক্তিধর ও কর্তৃত্বাধীন হয়েছে।

      অনেকের মতে দুর্নীতি করার ক্ষেত্রে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সমান ওস্তাদী দেখাতে পারলেও পদ্ধতির ক্ষেত্রে তাদের দু’পক্ষের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে। উদাহরণ দিতে গিয়ে অনেকে এভাবে বলতো যে, আওয়ামী লীগের দুর্নীতিবাজরা বেনসন সিগারেটের প্যাকেটে স্টার সিগারেট ঢুকিয়ে বুক পকেট প্রদর্শন করে ঘোরাফেরা করে থাকে, আর বিএনপির দুর্নীতিবাজরা স্টারের প্যাকেটে বেনসন রেখে লোকজনের সামনে চলাফেরা করে থাকে। এই পর্যবেক্ষণটি সেই সত্তর-আশির দশক থেকেই প্রচলিত। এখনো তা অনেকটাই সত্য।

      বিএনপি’র দুর্নীতি অনেক আধুনিক ও সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে পরিচালিত। বড় বড় অঙ্কের বিশাল সেসব লেনদেন ও পার্সেন্টেজের কারবার। শহরে আভিজাত্যের মোড়কে তা সুসজ্জিত। তাদের ক্ষেত্রে দুর্নীতির সিন্ডিকেট ব্যবস্থা মসৃন। নির্দিষ্ট ভবন ও কেন্দ্র থেকে তা পরিচালিত। নেটওয়ার্কের সবাই পরস্পরকে দুর্নীতির কাজে সহযোগিতা করে, সবাই দুর্নীতির ফসলের ভাগ পায়। সবাই সহজে সে লুটপাটের খবর টের পায় না। ঝাগড়া-বিবাদও কম হয়। একটি মসৃণ মেশিনের মতো সমস্ত প্রক্রিয়াটি কাজ করে যায়।

      আওয়ামী লীগের দুর্নীতি সেই তুলনায় অনেকটাই অনাধুনিক ও গ্রাম্য ধাঁচের। তাদের দুর্নীতির সাংগঠনিক-প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা খুবই কাঁচা, এমনকি তা নেই বললেই চলে। উপর-নিচ সব ক্ষেত্রেই এখানে ব্যক্তিগত প্রয়াস ও একান্ত ব্যক্তিগত স্বার্থই দুর্নীতির প্রধান ভিত্তি। শৃঙ্খলার সাথে দুর্নীতির ফসল পরস্পর মিলে ভাগ বাটোয়ারা করে নিতে তারা কার্যত অপারগ। কেউ অন্য কাউকে ভাগ দিতে রাজি নয়। তাই লুটপাটের ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে নিজেদের মধ্যে প্রকাশ্য সংঘাত, হানাহানি ও নৈরাজ্য অনেক বেশি। দুর্নীতির সমগ্র প্রক্রিয়া “পারসনালাইজম” হওয়ার কারণে তা এক অর্থে বিকেন্দ্রীভূত। তৃণমূল থেকে ঊর্ধ্বতন স্তর পর্যন্ত পর্যায়ে পর্যায়ে তা বিস্তৃত হলেও সব স্তরেই তার ক্রীড়নক ক্যাডার-কর্মী-নেতারা স্বাধীন-স্বতন্ত্র-স্বউদ্যোগী একেকটি বিচ্ছিন্ন দুর্নীতির ইউনিট। আওয়ামী লীগ প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণ করেনি, কিন্তু দুর্নীতির বিকেন্দ্রীকরণ ভালোভাবেই করতে পেরেছে।দুর্নীতিবাজদের রুখতে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলতে হবে, জেহাদ করতে হবে, যুদ্ধ করতে হবে এদের বিরুদ্ধে। আজকে বাংলার জনগনের এক নম্বর কাজ হবে দুর্নীতিবাজদের বাংলার মাটি থেকে উৎখাত করা। গণআন্দোলন করতে হবে। এমন আন্দোলন করতে হবে যে, যে ঘুষখোর, যে দুর্নীতিবাজ, যে মুনাফাখোরঃ তাদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে।

      বঙ্গবন্ধু দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে তৃণমূলে ছড়িয়ে দেয়ার ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই দুর্নীতিবিরোধী অভিযান নয়, বর্তমানে বরঞ্চ উল্টো দুর্নীতিই ছড়িয়ে পড়েছে তৃণমূল পর্যন্ত। আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব কি এই উল্টোমাত্রার পরিস্থিতি উপলব্ধি করতে সক্ষম হবেন? তারা কি দলকে ফিরিয়ে নিতে পারবেন বঙ্গবন্ধুর আহ্বানের ধারায় গ্রামে গ্রামে দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন সংগঠিত করতে? ইতিহাস এই শিক্ষাই দেয় যে, ‘রাজনীতি হলো অর্থনীতিরই ঘনীভূত প্রকাশ’। একটি দল ও তার নেতৃত্ব কোনোদিন তার শ্রেণী স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠতে পারে না। তাই, একটি মহা জন জাগরণই কেবল প্রবল ঝাঁকুনি দিয়ে পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তনের ধারা সূচনা করতে পারে। যেমন করেছে রূপগঞ্জের সাধারন জনগন।অন্য কিছু নয়……………………..।

      • কদর্য এশীয় 11:29 অপরাহ্ন on নভেম্বর 1, 2010 Permalink | Reply

        পোস্টটি মন্তব্য আকারে দিয়ে ফেলেছেন। আপনাকে লেখক হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে, এই লেখাটিকে পোস্ট আকারে প্রকাশ করুন।

    • পারভেজ রবিন 10:57 অপরাহ্ন on ডিসেম্বর 9, 2011 Permalink | Reply

      ‘নিউজ ৩৯’ দোহার ও নবাবগঞ্জ জন্য একটি অনলাইন পত্রিকা। যদিও এটি লোকাল খবরকে প্রাধান্য দেয়, তবু আন্তর্জাতিক, জাতীয় ও খেলাধুলার খবরকেও গুরুত্ব দিয়ে থাকে। পত্রিকার ওয়েবসাইট http://www.news39.net -এ নিয়মিত ভিজিট করুন, চলমান বিশ্বের সাথে আপডেট থাকুন, ও দোহার-নবাবগঞ্জকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে আমাদের সঙ্গী হোন। এই দূর্গম পথচলায় আপনাদের সহযোগীতা কাম্য। নিউজ ৩৯-এর ফেসবুক পেজে (http://www.facebook.com/News39) যোগ দিন, আপনাদের মতামত জানান, লিখুন আপনার এলাকার জন্য, হয়ে যান নিউজ ৩৯-এর একজন।

  • The Ugly Asian 10:13 pm on January 7, 2010 Permalink | Reply
    Tags: জয়পাড়া, ব্যাংক, Bank, Joypara   

    সিটি ব্যাংক আসছে জয়পাড়ায়, বেসরকারী ব্যাংকের সংখ্যা দাড়াল বারোতে 

    খুব শীঘ্রই জয়পাড়া পূর্ব বাজারে চালু হচ্ছে সিটি ব্যাংকের এসএমই শাখা। সিটি ব্যাংক সহ জয়পাড়ায় বর্তমানে বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক হল বারোটি। এছাড়া রয়েছে তিনটি সরকারী ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক ও গ্রামীন ব্যাংক। জয়পাড়ায় প্রথম বেসরকারী ব্যাংক হিসেবে আসে এবি ব্যাংক এর পর মার্কেন্টাইল ব্যাংক। এখানে মাত্র এক বর্গকিলোমিটারের ভেতরে সরকারী বেসরকারী মিলিয়ে মোট বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে পনেরটি। কোন শহরাঞ্চলের বাইরের জন্য একটি রেকর্ড হবার সম্ভবনা আছে(দোহার যদিও পৌরসভা তবু এটি এখনো শহুরে যোগ্যতা অর্জন করতে পারে নি)। জয়পাড়ার বাইরে বেশক’টি সরকারী ও বেসরকারী ব্যাংক রয়েছে।

    বেসরকারী ব্যাংক সমূহ (জয়পাড়া):
    ১. এবি ব্যাংক
    ২. মার্কেন্টাইল ব্যাংক
    ৩. ওয়ান ব্যাংক
    ৪. ঢাকা ব্যাংক
    ৫. ডাচ বাংলা ব্যাংক পুরোটা পড়ুন

     
  • The Ugly Asian 5:48 pm on December 22, 2009 Permalink | Reply
    Tags:   

    যেমন দোহার স্বপ্নে আমার 

    কাউকে যদি জিজ্ঞেস করি আপনার বাড়ী কোথায়, উত্তরে খুলনা বা ময়মনসিং বললেই চলে। কিন্তু আমরা এমন একটি যায়গায় বাস করি যার উত্তরে শুধু জেলার  নাম বললেই চলে না। উপজেলার অবস্থান সহ বলতে হয়, এই আমাদের দোহার, পদ্মাছোয়া দোহার, বাংলাদেশের অন্যতম অগ্রগতিশীল অর্থনৈতিক অঞ্চল। দেশের অন্যতম বৃহত্তম রেমিটেন্স অর্জনকারী এলাকা। এর তাত শিল্পের রয়েছে সমৃদ্ধ অতীত, সব ইতিবাচকতার সমৃদ্ধি যেমন ‘অতীতে’ই থাকে। দোহারের প্রধান দুই পেশা তাতশিল্প আর কৃষি যখন ক্রান্তিকালের দিকে রাওনা দিচ্ছে, একে এক তাতগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, কৃষি জমি কমে যাচ্ছে, মানুষ কৃষি হতে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে দোহারবাসী একটি ব্যাপক অর্থনৈতিক দুরব্স্থার জালে জড়িয়ে যাচ্ছে, তখন অনিশ্চিত অন্ধকারের হাতছানি। এই সময়ে এই দুরবস্থা কাটাতে মানুষ ব্যাপক হারে পাড়ি জমাতে লাগল প্রবাসে। আজ দোহারে এমন পরিবার খুজে পাওয়া দুষ্কর যার কোন সদস্য প্রবাসী নয়। এই অভিবাসন শুধু স্থান বা দেশগত অভিবাসন নয়, এটি পেশারও অভিবাসন। ঐতিহ্যবাহিক পৈত্রিক পেশা হতে অজানা অনিশ্চিত পেশার দিকে অভিবাসন। অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নিশ্চিৎ করতে গিয়ে দোহারের নতুন প্রজন্ম উচ্চ শিক্ষা হতে দুরে সরে গেল। এটা হল দু’ভাবে। এক প্রজন্ম বিদেশ পাড়ি দিল আর দেশেই জীবিকা অন্বেষণে ব্যাপ্ত হল, যারা শিক্ষা হতে ঝড়ে পড়ল না তাদের সংখ্যা খুব বড় নয়। আর পরের প্রজন্ম উচ্চশিক্ষা ছাড়াই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সোনালী অন্ধকারে পড়ে শিক্ষার অপ্রয়োজনীয়তা আবিষ্কার করল। পুরোটা পড়ুন

     
  • The Ugly Asian 5:43 pm on December 22, 2009 Permalink | Reply  

    যেমন দোহার স্বপ্নে আমার

    …. স্বপ্নদর্শন চলছে…..
     
    • codexlog 6:19 অপরাহ্ন on ডিসেম্বর 23, 2009 Permalink | Reply

      বই বিষয়ক এই সাইটটি দেখার আমন্ত্রণ রইল- http://www.codexlog.blogspot.com

    • Feedback 12:12 পুর্বাহ্ন on ডিসেম্বর 25, 2009 Permalink | Reply

      দোহারের সরকারী তথ্যভান্ডার- http://www.dcdhaka.gov.bd/index.php?view=article&id=172&option=com_content&Itemid=143

    • Hamidur Rahman 7:11 অপরাহ্ন on অক্টোবর 26, 2010 Permalink | Reply

      জীবন নাটকের আসল নায়ক-নায়িকা হচ্ছেন বাবা মা।

      মহান শ্রষ্টার সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হলো মানুষ। এ শাশ্বত সত্যের সাথে সকল ধর্মগ্রন্থই একমত। কেন না মানুষের কল্যাণের জন্যই ধর্ম! আর প্রত্যেক ধর্মের মূলবাণী সর্বপ্রকার শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে সমাজ, সংস্কৃতি, ইত্যাদির সাথে সম্পৃক্ত। ধর্ম মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করে না, মানুষই ধর্মকে নিয়ন্ত্রণ করে, লালন করে সকলের মঙ্গল ও কল্যাণের জন্য। আর এ শিক্ষার প্রাথমিক ও মূল স্তর হলো পরিবার। পরিবারের শিক্ষাই একজন মানুষকে আদর্শ মানুষ হিসাবে গড়ে উঠতে সহয়তা করে। প্রাপ্তির অতিরিক্ত লোভ লালসার কাছে নিজের আদর্শ ও জীবনবোধ বিসর্জন না দিয়ে সব জানালা খুলে রেখে সত্যিকার আত্মউপলব্ধি, সত্যিকার চেতনার বিকাশ ও মাথা উঁচু রেখে, মেরুদণ্ড সোজা রেখে গ্রহণ-বর্জনের মূল শিক্ষা দিতে পারে পরিবার, পরিবার এবং পরিবার। Basic learning ground হচ্ছে এই পরিবার। তাই পরিবারের শিক্ষক-শিক্ষিকা বাবা মাকে কোন ক্রমেই প্রশ্নবিদ্ধ হলে চলবে না। জীবন নাটকের আসল নায়ক-নায়িকা হচ্ছেন বাবা মা। যে কোন শিক্ষা, যে কোন শিক্ষায়াতনের শিক্ষার চেয়ে এই পারিবারিক শিক্ষাই বোধ করি বড় শিক্ষা যে জন্য আমাদের পরিবারের বাবা-মাকে শুধু ডিগ্রীধারী শিক্ষায় শিক্ষিত নয়, সত্যিকার শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে সবার আগে। জানি বর্তমান বাস্তব অবস্থার প্রেক্ষিতে বিশেষ করে একজন মাকে শুধু ঘর সংসার নয়, বাইরেরও জীবিকা অর্জনের কাজে তাকে ব্যাস্ত থাকতে হয় তবু বলছি স্পষ্ট করে বলছি একজন সত্যিকার স্নেহময়ী, কল্যাণময়ী, মেধা ও মনন সম্পন্ন শিক্ষিতা মা-ই হচ্ছেন জীবন গড়ার শ্রেষ্ঠ কারিগর। আর এই কারিগর মাকে দিতে হবে শ্রেষ্ঠ মর্যাদা। তাকে প্রয়োজনীয় সুযোগ ও সুবিধা যোগান দিতে হবে সমাজ ও রাষ্ট্রকে।

      স্কুলে পড়ার সময় একজন গুণীজনের লেখায় পড়েছিলাম “মানুষ শৈশবে তার মাতৃদুগ্ধের সঙ্গে যে শিক্ষা লাভ করে সে শিক্ষাই হইতেছে সব শিক্ষায়াতনের চেয়ে বড় শিক্ষা।” তাই মা-বাবাকে মর্যাদার সর্ব্বোচ্চ আসনে আসিন করতে হবে।

      পৃথিবীতে সবচেয়ে উত্তম কথা হল মহান আল্লাহ তা’আলার এবং সবচেয়ে সুন্দর উপদেশ হল প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (স.)-এর। মা যে কেমন এবং তার গুরুত্ব ও মর্যাদা যে কতখানি এর বিশেষ বর্ণনা আল্লাহ তা’আলা এবং তাঁর রাসূল (স.) বিশেষভাবে দুনিয়াবাসীর জন্য ১৪ শত বছর পূর্বে পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ করে এর মাধ্যমেই বর্ণনা করে মানুষকে বুঝিয়ে দিয়েছেন।

      এ সম্পর্কে প্রিয় নবী (স.) বলেছেন যে,কোন পুণ্যবান সন্তান যদি তার পিতা-মাতার দিকে দয়ার (ভালোবাসার) দৃষ্টি দান করে আল্লাহ তা’আলা তার প্রতিটি দৃষ্টির পরিবর্তে তার আমলনামায় একটি কবুল হজ্বের সওয়াব লিখে দেন। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন- হুজুর (স.), যদি (কোন ব্যক্তি) প্রতিদিন এইরূপ একশতবার দৃষ্টি করে? উত্তরে তিনি বললেন, হাঁ একশতবার দৃষ্টি দিলে একশতটি হজ্বের সওয়াব লিখিত হবে। কেননা, আল্লাহ তা’আলা মহান ও পবিত্র। (মেশকাত শরীফ)।

      মহান আল্লাহ তা’আলা সন্তানদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আর তোমার প্রতিপালক এ আদেশ করেছেন যে, তোমরা তাঁকে (আল্লাহকে) ভিন্ন অপর কারো ইবাদত করো না। আর পিতামাতার প্রতি উত্তম আচরণ করো। যদি তাদের একজন কিংবা উভয়ে তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবে তাদের উদ্দেশ্যে কখনও ‘উহ্’ (শব্দটি) পর্যন্ত বলবে না। তাদেরকে ধমক দিওনা, বরং তাঁদের সাথে মার্জিত ভাষায় কথা বলো। আর তাদের উদ্দেশ্যে অনুগ্রহে বিনয়ের বাহু অবনমিত কর। আর বল, হে আমার প্রতিপালক! তাদের উভয়কে অনুগ্রহ কর, যেমন তাঁরা আমাকে শৈশবে প্রতিপালন করেছেন।” (বনী ইসরাইল ২৩-২৪)

      মা যে সার্বক্ষণিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার পাত্র এ সম্পর্কে হযরত আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল হে আল্লাহর রাসূল (স.)! আমার সর্বোত্তম ব্যবহারের হকদার কে? হুজুর (স.) বললেন, তোমার মা। লোকটি পুনরায় প্রশ্ন করল, অতঃপর কে? হুজুর (স.) বললেন, তোমার মা। লোকটি আবার জিজ্ঞেস করল, অতঃপর কে? হুজুর (স.) এবারও জবাব দিলেন, তোমার মা। লোকটি পুনরায় জিজ্ঞেস করল, অতঃপর কে? এবারে নবী করীম (স.) জওয়াব দিলেন যে, তোমার বাবা। (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)

      বর্তমানে বিশ্বায়নের যুগে নারীরা সর্বত্র অবহেলিত ও নির্যাতিত। অথচ মহান আল্লাহ তা’আলা এবং তাঁর রাসূল (স.) নারীদেরকে সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী করে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন।এ সম্পর্কে প্রিয় নবী (স.) বলেছেন, মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত। হযরত আবু তোফায়েল (রা.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসূল (স.) কে জারয়ানা নামক স্থানে গোশ্ত বন্টন করতে দেখলাম। এমন সময় জনৈকা মহিলা এসে তাঁর নিকটবর্তী হলে রাসূলুল্লাহ (স.) নিজের চাদর বিছিয়ে দিলে তার উপর তিনি বসলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, উনি কে? লোকেরা বললো, ইনি তাঁর মা যিনি তাঁকে দুধ পান করিয়েছিলেন। (সহীহ আবু দাউদ)

      তাই আমারও মহান আল্লাহ পাকের কাছে প্রার্থনা হে আল্লাহ ! আপনি আমার মা-বাবার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের তাওফীক দান করুন।

      আমীন…………..।

    • Hamidur Rahman ( Palash ) 8:08 অপরাহ্ন on জানুয়ারি 4, 2011 Permalink | Reply

      নুরনাহারের ভালবাসা ও দ্বিতীয় সংসার।
      হামিদুর রহমান

      আমি তোমাকে দিতে চেয়েছিলাম আমার একান্ত মৌলিক ভালবাসা
      যে ভালবাসার স্বত্ব শুধুমাত্র আমারই আছে
      দিতে চেয়েছিলাম, আমার লেখা একমাত্র কবিতাটি
      আমার বাগানের একমাত্র ফুল, যেটি শুধুমাত্র তোমারই জন্য ফুটেছিল।
      যার জন্য আজন্ম অলস এই আমি খেটে মরেছি রাতদিন।
      তোমাকে দিতে চেয়েছিলাম সোনালী নৈ:শব্দে ভরা কিছু শব্দমালা
      যা আমি প্রকাশ করব শব্দহীন বর্নসমষ্টিতে, তোমার গভীর
      গাঢ় দুচোখে চোখ রেখে। প্লাবন ডাকাতে চেয়েছিলাম তোমার
      অবশ হয়ে যাওয়া দেহের প্রতিটি কোষ থেকে কোষে
      যেভাবে সমাজতন্ত্রীরা বিপ্লবের ডাক দেয় মুষ্ঠিবদ্ধ হাতে
      বিদ্রোহী প্লাকার্ড হাতে নিয়ে।

      আমার কবিতার মর্মার্থ বুঝতে তুমি ব্যর্থ হয়েছ
      আমার বাগানের একমাত্র ফুলটি তোমার হাতে যাওয়া মাত্র
      মৃত্যুবরন করেছে। যেফুল একবারই মাত্র ফোটে
      আমার শব্দহীন ভালবাসার একান্ত প্রকাশভঙ্গি বুঝতে
      তুমি ভুল করেছ, অত্যন্ত করুন ভাবে
      তোমার শুকিয়ে যাওয়া কোষ জাগাতে আমি ব্যর্থ হয়েছি প্রচন্ডভাবে।
      বুঝে গেছি আমি,
      আমার মৌলিক ভালবাসা পাওয়ার যোগ্য তুমি নও
      হতে পারনি এখনও
      যে ভালবাসার স্বত্ব শুধুমাত্র আমারই আছে।

      • (সাইফুল ইসলাম)

      চারটি অক্ষরের সমন্বয় খুব ছোট একটি শব্দ ‘ভালবাসা” যাকে আরবী ভাষায় মুহাব্বত ও ইংরেজী ভাষায় Love বলে। যার অর্থ হচ্ছে, অনুভূতি, আকর্ষণ, হৃদয়ের টান; যা মানুষের অন্তরে আল্লাহপাক সৃষ্টিগতভাবে দিয়ে দেন। সাধারণত ভালবাসা দুই ধরনের (১) বৈধ ও পবিত্র (২) অবৈধ ও অপবিত্র । বিবাহের পূর্বে আধুনিক যুবক-যুবতীরা যে সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকেই অবৈধ ও অপবিত্র ভালবাসা বলে। আর পবিত্র ভালবাসা বলতে আল্লাহ ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি ভালবাসা, সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার ভালবাসা,স্বামী-স্ত্রীর ভালবাসা ইত্যাদিকে বুঝায়। ভালবাসার নামে দেশের ভবিষ্যত সম্ভাবনাময় যুব সমাজকে ধ্বংস ও নিঃশেষ এর দিকে টেলে দিচ্ছে। যার ফলে পরিবার, সমাজ সবই হচ্ছে কলংকিত, অধ:পতিত। যার জলন্ত প্রমাণ আমাদের নুরনাহার। ভালবাসার জন্য ঘর ছেড়ে আজ সম্ভাবনাময় একজন চিকিৎসক হওয়া থেকে বঞ্চিত।

      মানুষ মাত্রই অস্তিত্বশীল এমনটা তাই ভাবা ভুল। নিজের অস্তিত্বে প্রমাণ দিতে হলে শুধু মানুষ হলেই হয় না। থাকতে হয় বিচার বিশ্লেষণ ক্ষমতা, থাকতে হয় ভাবুক চিন্তা, থাকতে হয় দায়িত্ববোধ। এসব গুন মানুষকে করে তুলে অস্তিত্বশীল। মানুষ মূলত নিজস্ব চিন্তা চেতনা দ্বারা নিজের একটি লক্ষ্য স্থির করে। যে লক্ষ্যের দিকে সে এগিয়ে চলে। লক্ষ্যহীন জীবন যেন মাঝিহীন নৌকার মতো। নীটশে বলেন, প্রত্যেক মানুষ যে কাজই করুন না কেনো, তার পেছনে থাকে ইচ্ছাশক্তি। আর এ ইচ্ছাশক্তি জগতকে পরিবর্তন করার এবং জগতে নিজের প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠা করার উপাদান হিসেবে কাজ করে। আর সেই প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষ যে নিয়ন্ত্রণ জগতে নিয়ে আসে, সেই ঘটনাটাই মানুষকে অস্তিত্বশীল করে তুলেছে। নিজেকে প্রকাশ করার ব্যপারে জ্যাঁ পল সার্তে বলেছেন, প্রতি মুহূর্তে ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতার সম্মূখিন হয় মানুষ এবং সেই বাস্তবতা মোকাবেলা করার জন্য সে নিজেকে নতুন করে তৈরী করে নেয়। আর এ তৈরী করার মাধ্যমেই সে নিজেকে প্রকাশ করে। প্রত্যেকটি মানুষের মধ্যেই অপূর্ণতা থাকে। সেই অপূর্ণতা পূরণের আপ্রাণ চেষ্টার মাধ্যমেও মানুষ অস্তিত্বশীল হয়ে ওঠে। মানুষের ভেতরের শূণ্যতাটাই তার অস্তিত্বশীলতার প্রকাশ। কারণ, মানুষ যখন নিঃসঙ্গ থাকে তখন নিজের মাঝে এক অদ্ভুত ধরনের শূণ্যতা আবিষ্কার করে। যে শূণ্যতা তাকে নিজের সম্পর্কে ভাববার সুযোগ তৈরী করে দেয়। যে ভাবনার ফলে সে নিজের মাঝে নিয়ে আসতে পারে একটি পরিবর্তন সেই ভাবনাটাই তার অস্তিত্বের প্রমাণ। কিন্তু নুরনাহার নিজের জীবনের সকল সম্ভবনা, সকল স্বপ্ন, সকল চাওয়া পাওয়াকে কবর দিয়ে কোন অস্তিত্বের প্রমান দিল আমার বোধগম্য নয়।

      এক বর্ষন-মন্থিত মধ্যরজনীতে দুটি হৃদয় কাছাকাছি এসেছিল কোন এক অদৃশ্য শক্তির নিপুণ পরিচালনায়। ওরা মাতাল হয়েছিল পরস্পরের ভালবাসা এবং সৌরভের মোহে আবেগের তাড়নায়। সেই মোহ কল্পনায়-স্বপ্নে লালন করতে করতে ধীরে ধীরে পরিনত হলো ভালবাসায়, রচনা করল ভালবাসার স্বপ্নিল ছোট নীড়। বিনিময় হলো কিছুদিন হৃদয়-নিংড়ানো আবেকের আকুতি। ওরা ভুলে গেল মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয় পরিজন। প্রেমের নতুন আনন্দে ওরা হাল্কা মেঘের ওপর ভাসলো ক্ষনিকের জন্য। তারপর বাস্তবের রূঢ়তা নিমিশেই সশব্দে ওদেরকে নামিয়ে আনল প্রাণহীন শক্ত মাটিতে। ওদের এই নিস্তরঙ্গ ছকবাঁধা জীবনে কাঁপন তুললো অভাব। হঠাৎ ভালবাসার মায়াবী ঘরে প্রবেশ করল বৈশাখী ঝড়ো হাওয়া। ঝড়ো হাওয়ায় শিমুলকে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে লাগল মায়াবী ভালবাসার ছকবাধাঁ জীবন থেকে। কিন্তু এই প্রেমহীন বদ্ধ পরিবেশে শিমুলের ছোঁয়া নুরনাহারকে আপ্লুত করল অনেক বেশী ও হারিয়ে গেল কামনায়, চাওয়ায়। নুরনাহার ভাবলো শিমুল মরুভূমির উষ্ণ বাতাস মুছে দেবে ওর না পাওয়ার বেদনা, অবদমিত আকাঙ্খার আকুতি। ওর অস্তিরতা, ওর অশান্তি বাঁধ ভেঙ্গে ফেলতে চায়।

      কিন্তু প্রেম জিনিসটা হলো হৃদয়ের ব্যাপার। এটা বোধ-বুদ্ধি কিংবা যুক্তি-তর্কের ধার ধারে না। তাইতো হেমন্তের মিস্টি আমেজে যে হৃদয় চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন নীড় রচনা করার কথা ছিল সে হৃদয় আজ ঝরে পড়া বাসী ফুলের মত নিঃপ্রান। না পাওয়ার বেদনা, পেয়ে হারানোর মর্মজ্বালায় মৃত স্মৃতির প্রদীপ জ্বালিয়ে দু’চোখের পাতা ভেজানো এক দুঃসহ জীবন অতিবাহিত করছে নুরনাহার। ওর জীবন থেকে সুখ এখন হারিয়ে গেছে পুরোপুরি। একদিকে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন, অন্যদিকে শিমুলকে কাছে না পাওয়ার আঘাতে ও নিরন্তর রক্তাক্ত হচ্ছে। শিমুল সেই সকালে নুরনাহারকে ঘুমে রেখে বেরিয়ে যায়, কোথায় যায় বলে যায় না, মোবাইলটিও বন্ধ থাকে।শিমুলের অনুপস্থিতিতে দিন শেষে অলস সন্ধ্যায় নুরনাহারের বিষাদ ঘন হতে থাকে। রাতে “ইনসমনিয়ায়” ডুবে একাকী, না খেয়ে ডুকরে ডুকরে কাঁদে। ঘুমহীন চোখের নিচে কালি পুরো হতে থাকে। একাকিত্বের বিষন্নতা নামের রোগটা ধীরে ধীরে দখল করে নিতে থাকে ওর মস্তিস্ক, স্নায়ু এবং শরীর। ও জীবনকে উপভোগ করতে চায় সমস্ত উপলদ্ধি দিয়ে, শত অবহেলার পরও শিমুলকে ভালবাসতে চায়, আবদ্ধ করে রাখতে চায় জীবনের সাথে। কিন্তু শিমুলের ব্যবহারে মাঝে মাঝে গম্ভীর হয়ে যায়, কি যেন ভাবে, ওর দৃষ্টি অস্বচ্ছ হয়ে যায়।যে ভালবাসার কারনে নুরনাহার বিলাসী জীবনের মায়া ত্যাগ করে মাকে নামাজরত অবস্থায় রেখে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী একটি ছেলের সাথে ঘর বাঁধার স্বপ্ন নিয়ে বাড়ী ছাড়ে সেখানে আর কিছু না থাকুক অন্তত পরস্পরের প্রতি ভালবাসার কোন অভাব থাকার তো কথা নয়। ঠিক কবির মত আজ আমারও বলতে ইচ্ছা করছে ভালবাসাহীন হাজার বছর আমি চাইনা। চাই একটুখানি জীবন কিন্তু ভালবাসা, মায়া-মমতা,স্নেহের আবেগে পরিপূর্ণ এক সুন্দর পৃথিবী। একথা বারবার শিমুলকে বলার পরও তার আচরনে পরিবর্তন আসে না। ভালবেসে বিয়ে করে অতি দ্রুত বিচ্ছেদ হওয়া যেন অতি স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক ব্যাপার হয়ে গিয়েছে আজকের আধুনিক সমাজে। ঠিক কোথায় যেন আমরা সবাই ধীরে ধীরে নিমজ্জিত হয়ে যাচ্ছি। যেখানে আমাদের ভালবাসা, বিশ্বাস, আস্থা সব হারিয়ে যাচ্ছে। জীবনে দুঃখ আসবে, দুর্দশা আসবে, বাধা আসবে, বিপত্তি আসবে কিন্তু তাতে কি? একজন আর একজনের ভালবাসার টানে, আস্থার প্রতি আস্থা রেখে সব বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে যাব। আজ সেই প্রেরণাও নাই। কারো প্রতি কেউ আজ আর আস্থা রাখতে পারছে না। সন্তান যখন পৃথিবীতে পদার্পন করে তখন তার একমাত্র নিরাপত্তার স্থান তার মা-বাবা। কিন্তু সন্তান নিজের ভালবাসার জন্য সেই নিরাপত্তার স্থানও ত্যাগ করে চলে যায় শুধুমাত্র বিপরীত লিঙ্গের আকর্ষণে?। মা-বাবার মনে কষ্ট দিয়ে কেউ কখনো সুখী হতে পারে না। তাই নুরনাহারের দুঃস্বপ্নের প্রহর কখনও শেষ হয় না । কারণ এখনও ভালবাসাগুলো স্বার্থ সংশ্লিষ্ট। মানুষ মানুষের জন্য কিছু করতে চায় না। নিজে কি পেল সেই হিসাব মিলাতেই মানুষগুলো বেশি ব্যস্ত থাকে। ভালবাসা, ভাল কিছু করার মানসিকতা মানুষের কাছ থেকে আস্তে আস্তে দুরে চলে যাচ্ছে। সেখানে দুইজন মানুষের আদর্শিক মিল খুব কমই হয়। তাই প্রেমিক-প্রেমিকার মন কষা-কষি লেগেই থাকে। প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যে আইডিওলজিক্যাল কনসেপ্ট এর মিল খুব একটা গুরুত্ব বহন করেনা। তাই তো তারা একে অন্যের জন্য নিজের সব শখ, ভাললাগাকে বিসর্জন করতে পারে অনায়াসেই। মানুষ ভুলের উর্দ্ধে নয় কিন্তু মাঝে মাঝে এই ভুল তার অপূর্ণ ম্যাচিউরিটির সাক্ষ্য বহন করে। ফলাফল এই জঘন্য পৃথিবী। যে পৃথিবী আমরা কেউ চাই না, কিন্তু আবার নিজের স্বার্থের কোন কিছু ছাড়তে রাজি না। নিজেকে পরিবর্তনই আসল কাজ । এটা দিয়েই শুরু করতে হবে–আমাদের পথচলা। কিন্তু সবাই সেই পরিবর্তনের পথে সহজে আসতে পারে না। যেমন পারেনি শিমুল।

      তাই শিমুলের আচরনে বাধ্য হয়ে তাকে ছেড়ে গ্রামের বাড়ীতে চলে আসে নুরনাহার। ইতিমধ্যে প্রবাসী বাবা সব কিছুই অবগত হয়। মেয়ের আবদারে বাড়ীতে যাওয়ার জন্য মনস্থির করে ছুটিতে বাড়ী চলে যায়। বাড়ীতে যাওয়ার পূর্বেই দ্বিতীয় মেয়ের বিয়ের ব্যাপারটি পাকাপাকি করে নেয়। দ্বিতীয় মেয়েকে বিয়ে দেয় পূর্ব পরিচিত মধ্যবিত্ত একটি শিক্ষিত ছেলের কাছে। ছেলেটি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখার পাশাপাশি একটি বেসরকারী কোম্পানীতে চাকুরী করে। মেয়েটিকেও নিজ খরচে ফরিদপুর সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজে পড়াচ্ছে। যে মেয়েটির চিকিৎসক হয়ে বংশের মুখ উজ্বল করার কথা ছিল সে আজ সবার করুনার পাত্রে পরিনত হয়েছে। তারপরও বাবা তার মেয়েকে সুখী দেখতে চায়। সে মেয়েকে বারবার বুঝাতে চেষ্টা করে হিন্দু ছেলেটির স্মৃতি মন থেকে মুছে ফেলার জন্য। কিন্তু নুরনাহারের বিশ্বাস সে আবার ফিরে আসবে। এভাবে প্রায় এক মাস বুঝানোর পর সে তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে স্বামীকে একতরফা ভাবে তালাক দেওয়ার জন্য রাজি হয় এবং কোর্টের কাগজে স্বাক্ষর করে শিমুলকে তালাক দেয়। তালাকের অল্প কিছু দিন পরই এলাকার পরিচিত জাপান প্রবাসী এক ছেলের সাথে বিয়ের কথাবার্তা চলতে থাকে এক পর্যায় ছেলের ব্যাপারে খোজ খবর নিয়ে জানা যায় ছেলে পূর্বে একটি বিয়ে করেছিল বাচ্চা হওয়ার সময় তার স্ত্রী বাচ্চাটি রেখে মারা যায়। বাচ্চাটির ভবিষ্যৎ চিন্তা করে এত দিন বিয়ে করেনি । বাচ্চাটি এখন বড় হয়েছে। সব দিক বিবেচনা করে নুরনাহারের সন্মতিতে অতি অল্প সময়েই বিয়ের কাজটি শেষ করা হয়।

      দ্বিতীয় সংসারেও সুখ নামক সোনার হরিনটি খোঁজে পায়নি নুরনাহার। দ্বিতীয় স্বামী প্রায়ই অতীত নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তারপরও সব কিছুকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় সবার সাথে মিলেমিশে দ্বিতীয় সংসার টিকিয়ে রাখার সংগ্রামে প্রতি নিয়ত সংগ্রাম করছে। মানুষ যখন তার যোগ্যমর্যাদা হারিয়ে ফেলে, তখন সে অনিচ্ছা সত্বেও অনেক কিছু মেনে নেয়। মেনে নেওয়া ছাড়া আর কোন পথ তার সামনে খোলা থাকে না। সমাজে মেয়েদের দুর্দশার জন্য শুধু পুরুষরাই দায়ী নয়। সব মেয়ে ইচ্ছে থাকলে জীবনে স্বপ্রতিষ্ঠিত হতে পারে না, স্বনির্ভর হতে পারে না। প্রবল ইচ্ছা শক্তিই নিজকে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। কিন্তু নুরনাহারের অপরিনত বয়সের প্রেম তাকে এক অনিশ্চিত অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত করে। মানুষের মৌলিক গুনাবলিকে সুন্দর একটা শেইপ এনে দেয় ধর্মীয় অনুশাসন। কারণ ভালবাসার ফিলিংস এই মৌলিক গুনাবলী সবার মধ্যেই থাকে কিন্তু সেই ফিলিংসটা কিভাবে কাজে লাগাতে হয় তা ধর্মীয় অনুশাসন ছাড়া পূর্ণতা পায়না।ভালবাসা তো শুধুই সৃষ্টির জন্য ধ্বংসের জন্য না! কে তাদের শিখাল যে ভালবাসা কেবল ছেলে-মেয়ের মধ্যেই হতে পারে? কারা সমাজের তরুণ প্রজন্মকে বলে ভালবাসাবিশ্বাসহীন, একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধশুন্য ভালবাসার শক্তি আজ সমাজে তাই চরম বিভীষিকা। এর থেকে পরিত্রাণের উপায় কি ? প্রয়োজন আমাদের চিন্তাশক্তির ম্যাচিউরিটি,প্রয়োজন ভালবাসার সঠিক ক্ষেত্র উপলব্ধি তার সাথে সাথে এসবকে সুন্দরভাবে শেইপ করার জন্য দরকার ধর্মীয় অনুশাসন যা সর্বদা চার্জের মত কাজ করে। অর্থাৎ ধর্মীয় অনুশাসনের প্রতিনিয়ত প্রাক্টিক্যাল চার্জ ভালবাসাকে নিয়ে যায় সুন্দর কোন প্রান্তে যা কখনও বিভীষিকা ছড়ায়না….. ভুল অপব্যাখ্যা দিয়ে তাদেরকে ধীরে ধীরে চিন্তাশূন্য করে গড়ে তুলে না। যে ভালবাসা বিশ্বাস থেকে তৈরি হয়না,তাকে ভালবাসা বলা যায়না।ভালবাসা বিশ্বাস থেকেই তৈরি হয়।যখন কোন ছেলে অথবা মেয়ে ভালবাসার কারনে তার মা,বাবার মনে ব্যথা দেয় তখন তার মা,বাবার সারা জীবনের বিশ্বাস ভালবাসাও মিথ্যা হয়ে যায়। সেই সন্তান কখনোই জীবনে সুখী হতে পারে না।

      যার হবার কথা ছিল মানুষের সেবক, সে এখন স্বামী সংসারের নির্দিষ্ট গন্ডীর সেবক হয়ে স্বামী সন্তানের সেবায় ব্যস্ত সময় কাটায়। যার বিনিময়ে পায় অবহেলা, অপমান। তারপরও নিজের ভিতরের দুঃখটাকে পাথর চাপা দিয়ে বর্তমান অবস্থার জন্য নিজকেই দায়ী করে এই সংসারকে সম্বল করেই কাটিয়ে দিতে চায় অনাগত ভবিষ্যতের দিনগুলি। এভাবেই একটি স্বপ্ন ও সম্ভবনাময় চিকিৎসকের স্বপ্নের অপমৃত্যু ঘটে।

      বি:দ্র: লেখাটি সত্য ঘটনার আলোকে লেখা। যাকে নিয়ে লেখা তাকে আমি ছোট বেলা থেকে কোলে পিঠে করে মানুষ করেছি। নিজে শিক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে ভাল ফলাফল করাতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি। আমার উৎসাহ ও অনুপ্রেরনাতেই ভাই তার মেয়েকে উচ্চবিত্ত কলেজে ভর্তি করাতে রাজি হয়েছিল। তাই মাঝে মাঝে নিজকেও অপরাধী মনে হয় কেন তাকে চিকিৎকের পিতা হবার স্বপ্ন দেখিয়েছিলাম। স্বপ্নই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। স্বপ্নই মানুষকে ভবিষ্যতে সুন্দর কিছু করার অনুপ্রেরনা দেয়। কিন্তু সেই স্বপ্ন যখন পূরন হওয়ার পূবেই ভেঙ্গে খান খান হয়ে যায় তখন তাকে মেনে নেওয়া ছাড়া আর কিছু করার থাকে না।

      হামিদুর রহমান (পলাশ)
      জয়পাড়া, দোহার, ঢাকা।
      বর্তমানে সৌদি প্রবাসী। জীবিকার প্রয়োজনে ইরকা মিডেলইষ্ট প্রেট্রোলিয়াম পাওয়ার এন্ড প্রেট্রোকেমিক্যাল ইষ্ট কোম্পানীতে কর্মরত।
      ই-মেইল: hamidur_rahman18@yahoo.com

    • Hamidur Rahman ( Palash ) 2:03 অপরাহ্ন on জানুয়ারি 12, 2011 Permalink | Reply

      দোহারের রাজনৈতিক আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্রের নিরব প্রস্থানের নেপথ্যে……….।
      শীতের কুয়াশাচ্ছন্ন চাদর বিছানো শিশির সিক্ত ভোর হতে কিছুটা বাকী। পূর্ব আকাশে সূর্য তার আগমনী বার্তা নিয়ে সোনালী দিনের অপেক্ষায়, দুরের মসজিদ থেকে মুয়াজ্জিনের আযানের সুর ভেসে আসছে “আসসালাতু খায়রুম মিনাম নাউম”। জীবনের পড়ন্ত বেলা নিকটপ্রায়। চাওয়া পাওয়ার হিসাবে বিরাট গড়মিল। কিছুতেই জীবনের জটিল অংকের হিসাব মিলাতে পারছি না। ফেলে আসা দিন গুলিতে বড় বেশী অপচয় করে ফেলেছি। বড়ই বেহিসেবী এলোমেলো অগোছলো জীবন ছিল। মা সবসময় বলতেন, ‘আল্লাহ যা করেন ভালর জন্য করেন। সব সময় বাস্তবতা মেনে নেবে।’ মায়ের মৃত্যুই তার অগোছালো জীবনটা গুছিয়ে এনেছে। রাজনীতির মাঠ থেকে নিজকে গুটিয়ে রাখছেন দীঘদিন। দোহারের ছাত্র ও যুব রাজনীতি যার হাত ধরেই আজ বিশাল ডালপালা মেলে স্বমহিমায় উজ্জ্বল। পিতার সুযোগ্য উত্তরসূরী। নিজ হাতে গড়া কিছু নষ্ট হয়ে যাওয়া কিছু বিপদগামী ছাত্রনেতা নামধারী দালাল, চরিত্রহীনদের কারনে নিজকে আড়াল করে রেখেছে। যে আমতলাকে কেন্দ্র করে দোহারের রাজনীতি আর্বতিত হতো। সকলের পদচারনায় মুখরিত হতো আমতলার বেঞ্চগুলো সে আমতলা এখন নিবর নিথর। হয়তো আবারও মুখরিত হবে কোন এক পড়ন্ত বিকেলের শালিস বৈঠকের মাধ্যমে। রাজনীতির দুর্দিন আসলেই হয়তো আবার সকলের মিলন ঘটবে এই আম তলায়।

      রাজনীতি এক রহস্যময় অভিযাত্রা। রাজনীতির দাড়িপাল্লায় কে কখন বড় হয়, হারিয়ে যায়, ফিরে আসে বলা কঠিন। রাজনীতিতে উত্থান-পতন, ভাঙা-গড়া আছেই। এতে ধৈর্য হারালে চলবে না। যারা ধৈর্য হারায় তারা হেরে যায়। যারা টিকে থাকে তাদের আদর্শের পরিবর্তন হয় না। সে আদর্শ হলো মাটি ও মানুষের কাছে থাকা। আমি এখন ক্ষমতার কেন্দ্রে নেই। সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে, বিরোধী মতের, বিরোধী আদর্শের অনুসারীদের মতামতের প্রতি গুরত্ব দিতে হবে। সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে সকলের মতামত নিয়ে অবশ্যই দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে। আমাদের দেশে এখন জাতীয় রাজনীতি থেকে শুরু করে স্থানীয় রাজনীতিও দুর্নীতি সিস্টেমের অংশ হয়ে গেছে। এটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। নেতৃত্ব বদলের সাথে সাথে নেতার যেমন পরিবর্তন হয় তেমনি পরিবর্তন হয় নেতার চেলাদের। সৃষ্টি হয় হাইব্রিড, নব্য, ওয়ান টাইমার সুযোগসন্ধানী নেতা ও কমীর। তারা নিজেদের আখের গোছানোর সুযোগ পেয়ে দলের ক্ষতি করে, দলকে বিতর্কিত করে, সাধারন ভোটারদের কাছে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে। নতুনরা দলে আসবে এতে দোষের কিছু নেই এটা স্বাভাবিক। তারুণ্যের শক্তি আর প্রবীণদের অভিজ্ঞতা মিলে দল এগিয়ে যাবে। কারণ তারুণ্য হলো অফুরন্ত শক্তি। দল থেকে কাউকে বাদ দেয়া নয়। শুধু দায়িত্বের পরিবর্তন হয়।

      কিন্তু সে দায়িত্ব অনেকে সঠিক ভাবে পালন না করে দলের ভিতর বিবেধ সৃষ্টি করে দলকে নিজস্ব বলয়ের মধ্যে আবদ্ধ করে রাখে।কিন্তু গণতন্ত্র এখনও চ্যালেঞ্জে। দেশের জাতীয় রাজনীতির পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতিও অশান্ত-উত্তাল। রাজনীতিতে এখন বিভাজনের দেয়াল তৈরি হচ্ছে। তা ক্রমে উঁচু থেকে উঁচু হচ্ছে। সমঝোতার সুযোগ নষ্ট হচ্ছে। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য সবার ভূমিকা দরকার। কাউকে কোন দায়িত্বশীল চেয়ারে বসে দায়িত্বহীন আচরণ বা কথা বলা উচিত নয়। মানুষের সমর্থনের জন্য ইতিবাচক রাজনীতির বিকল্প নেই। ইতিবাচক রাজনীতির কারনে অনেক নিঃক্রিয় নেতা আবার সক্রিয় রাজনীতিতে স্বমহিমায় নিজের অবস্থান সুসংহত করতে পেরেছে। যার হৃদয়ের অনুভূতি প্রকাশ দৃঢ়, বিবেকের ভাষা আর তাড়নায় স্পষ্ট উচ্চারণ প্রতিফলিত হয় যে সবকিছু সহনশীল দৃষ্টিতে দেখেন, যে আঘাতের প্রতিঘাত না করে দুঃখকে প্রকাশ না করে নিজের ভিতর সযতনে লালন করে, তিনিই তো মহান।

      আর এটিই হলো সৃষ্টিশীল রাজনীতি।

  • The Ugly Asian 9:54 am on November 13, 2009 Permalink | Reply
    Tags: , Dohar   

    দোহার ব্লগ…………. দোহারের বুকে যত কথা 

    শুরু হল দোহার উপজেলার জন্য ব্লগসাইট দোহার ব্লগ। এটির উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে। তাই এখনো সবার জন্য উন্মুক্ত নয়। এটি উন্মুক্ত করার পর সকলেই এখানে লেখার সুযোগ পবেন।

    অনেকদিন আগে থেকেই চিন্তা ছিল দোহার উপজেলার জন্য একটি ওয়েবসাইট বানাব। কিঞ্চিত আলোচনাও চলছিল। কিন্তু প্রযুক্তিজ্ঞান আর অর্থের অভাবে বাস্তব কোন অগ্রগতি হচ্ছিল না। এছাড়া আর একটি দুশ্চিন্তা ছিল মাত্র দু-তিনজনে এই কাজ এগিয়ে নেয়া খুব সহজ হবে না। দোহারের বিভিন্ন ইতিহাস, বিভিন্ন যায়গার বিবরন ও অন্যান্য বিষয় আমরা কতদিনে লিখব, আর সেগুলোর নির্ভূলতার যাচাই করাও সহজ নয়। তাই মাথায় এলো ব্লগের কথা। আর এজন্য রয়েছে সেরা প্লাটফর্ম ওয়ার্ডপ্রেস। পুরোটা পড়ুন

     
    • MD.RANA MIA 2:40 অপরাহ্ন on ডিসেম্বর 27, 2009 Permalink | Reply

      hi I am rana . Iam a student of jagannath university.My Vill mahamudpur post.Horichondi ,Dohar,Dhaka.
      This is really nice step to me . i appreciate. Also i have an intension to open a website for Dohar. so i am eager to help from you. My contact no is +8801712740046

      • The Ugly Asian 1:09 পুর্বাহ্ন on ডিসেম্বর 29, 2009 Permalink | Reply

        আপনার মন্তব্য পড়ে ভাল লাগছে যে এটির প্রচার শুরু করার আগেই আপনি এখানে এসেছেন। ব্লগেই আপনার সাথে দোহারের ওয়েবসাইট নিয়ে আলোচনা হবে। তবে এই পোস্টেই আমি আমার মত জানিয়েছি।

    • Hamidur Rahman ( Palash ) 8:35 অপরাহ্ন on অক্টোবর 23, 2010 Permalink | Reply

      I am Hamidur Rahman ( Palash ). Come from Dohar, Dhaka Village: Botia. Very good news for all of us who are stay in abroad. We are really happy for this momentous step.

      • Hamidur Rahman ( Palash ) 9:03 অপরাহ্ন on অক্টোবর 23, 2010 Permalink | Reply

        জীবনের নির্জন মহাসড়কে চলার পথে দু’একজন ভালো বন্ধু পাওয়া সবচেয়ে কঠিন। বন্ধুত্ব সে তো মুছে দিতে পারে চোখের দু’ফোটা অশ্রু। বন্ধুত্ব সেতো দিতে পারে একমুঠো আশা – বিশ্বাস আর অসীম নির্ভরতা। বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিলাম দোহার ব্লগে। মনে চাইলে সঙ্গী করে নিও হে ………… দোহার বাসী।

        • The Ugly Asian 5:28 অপরাহ্ন on অক্টোবর 25, 2010 Permalink

          মন চাইলে নয়, অলরেডি চেয়েই বসে আছে দোহার। আপনাকে ইনভাইট করা হয়েছে। আশা করি খুব দ্রুতই লেখা শুরু করবেন। ভাল থাকবেন।

c
compose new post
j
next post/next comment
k
previous post/previous comment
r
reply
e
সংশোধন
o
show/hide comments
t
go to top
l
go to login
h
show/hide help
shift + esc
cancel
Follow

Get every new post delivered to your Inbox.