পড়াশোনা আর পরীক্ষার চাপ টা গেলেই আবার নতুন উদ্দ্যমে কাজ শুরু করতে হবে।
Updates from ডিসেম্বর, 2010 Toggle Comment Threads | Keyboard Shortcuts
-
Enam [এনাম]
-
Enam [এনাম]
আমন্ত্রন কার্যক্রম শুরু করিলাম।।।
-
Enam [এনাম]
যাত্রার শুরুতে… [দোহার ব্লগে আমার প্রথম পোস্ট]
রাজধানী ঢাকা থেকে মাত্র ৬৪ কিলোমিটার দুরে, বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদী পার হয়ে। আমাদের দোহাব আকৃতি, আয়তন, যোগাযোগ আর অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বিচারে মোটামুটি সমৃদ্ধ একটি ছোট শহরের মতই, কিন্তু আমরা দোহারবাসী দোহারের এলাকা গুলোকে গ্রাম বলতেই বেশি ভালবাসি। গ্রাম শব্দটার মাঝে শৈশব শৈশব একটা গন্ধ আছে।
বেশ কয়েক বছর আগের দোহার আর বর্তমান ২০১০ এর দোহারের মাঝে অবশ্য খুব বেশি মিল নেই, থাকার কথাও না। পরিবর্তন হয়েছে সময়ের, পরিবর্তন হয়েছে মানুষের সেই সাথে পরিবর্তিত হয়েছে সমাজের। ৮০-৯০ দশকের দোহারের শিক্ষার হার বর্তমানের শিক্ষার হারের তুলনায় অনেক কম। আবার ৯০ দশকের মাঝেই দোহার থেকে বিকশিত হয়েছে দেশের বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য কিছু সুর্যসন্তান।
-
কদর্য এশীয়
-
Enam [এনাম]
পরীক্ষা টা যাক…। তারপর…।
-
-
tusin
হুম ভাল লাগল…চালিয়ে যান…
-
Enam [এনাম]
কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।
-
-
Nazrul Islam Khan
Dear ENAM
Excellent , congratulation for your creativity. Live long and shine you & us. Nazrul sir -
Enam
Thank you very much Sir, for your encouragement…
-
-
The Ugly Asian
দোহারের ব্লগার
-
Nijum Akter Bela
Very good news for us. We are appreciate it. I am from Joypara,Dohar,Dhaka.
-
Enam [এনাম]
I’ve just seen your blog. It’s very nice. Rich contents.
And you are welcome here… Your name will be listed immidiately… -
The Ugly Asian
আপনাকে লেখক ও পাঠক হিসেবে আশা করি।
-
-
Salma Rahman
Very nice step for Dohar. Go ahead. We are with you. I am from Botia.
-
এনাম
ধন্যবাদ।
-
The Ugly Asian
আমরা এগিয়ে যেতে চাই, এই যাত্রায় সঙ্গী হবেন আশা করি। আপনিও লিখুন, আপনাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
-
-
Hamidur Rahman
Thanks a lot for add me in Dohar blog.
-
Hamidur Rahman
প্রশাসনিক দুর্নীতির আদি ও মূল রূপ হলো ‘ঘুষ’।
প্রাচীন যুগে রাষ্ট্রের উদ্ভবের পর থেকেই দুর্নীতি হিসেবে ঘুষের প্রচলন। আমাদের দেশেও বহুযুগ আগে থেকেই তার প্রচলন দেখতে পাওয়া যায়। তবে তখনকার যুগে ঘুষ দেয়া-নেয়াটা ছিল অপ্রচলিত বিশেষ ঘটনা। রাষ্ট্রের প্রশাসনিক সংস্কৃতিতে তাকে প্রতিষ্ঠিত স্থান করে দেয়া হয় ব্রিটিশ শাসনামলে। কোম্পানির শাসনামলের ক্লাইভ, হেস্টিংস-এর কাল থেকেই ঘুষের প্রচলন নতুন মাত্রিকতায় উন্নীত হয়। সেসব ঔপনিবেশিক দেশ এখন সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে তাদের স্বার্থ সিদ্ধির নোংরা খেলা এখনো চলছে। পরিমাণ ও মাত্রায় তা আজ আরো বেড়েছে। অপ্রয়োজনীয় এমনকি ক্ষতিকর প্রজেক্ট, অসম নানা শর্ত চাপিয়ে দেয়া ইত্যাদি ছাড়াও প্রায় প্রকাশ্যভাবে কমিশনের লেনদেনের কারবারে তাদের ওস্তাদি এখনো ভালোভাবেই চলছে। ঘুষ-দুর্নীতির সেই রোগ থেকে আমাদের দেশের প্রশাসনকে মুক্ত করা তাই আজও সম্ভব হয় নি। বরং ঘুষের লেনদেন প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড সচল রাখার একটি আবশ্যিক উপাদানে পরিণত হয়েছে। বিগত বি.এন.পি-জামাত জোটের শাসন আমলে ব্যাপক ভাবে এর বিস্তার লাভ করে।
ঘুষ দিয়ে রাজনীতিকেও ব্যাপকভাবে কলুষিত করার প্রক্রিয়া ১৯৭৫-এর পর জেনারেল জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনামলে অনেকটাই অফিসিয়ালি সূচিত হয়। জেনারেল জিয়া বলেছিলেন যে, তিনি রাজনীতিকে প্রচলিত রাজনীতিকদের জন্য ডিফিকাল্ট করে তুলবেন। রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাসহ প্রশাসনকে ব্যবহার করে টাকা-পয়সার লেনদেনের মাধ্যমে একশ্রেণীর রাজনীতিকদের কেনাবেচার প্রক্রিয়ার ব্যাপক প্রচলন ঘটানো হয়। জেনারেল এরশাদের আমলে দুর্নীতির প্রাইভেটাইজেশনের পথে বড় রকম সাফল্য । ঘুষের আদান-প্রদানের সাথে যুক্ত করা হয় টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, সামাজিক অপরাধমূলক কাজকর্ম ইত্যাদি। বিপুল পরিমাণ অবৈধ কালো টাকার কারবারের সাথে রাষ্ট্রীয় প্রশাসন যুক্ত হয়ে স্থাপন করে একটি অদৃশ্য ‘দুর্নীতি ইনডাস্ট্রি’। তার পরে এরশাদী স্বৈরশাসন উচ্ছেদ হওয়া সত্ত্বেও ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ৪/৫টি সরকারের আমলে এই ‘দুর্নীতি-ইনডাস্ট্রি’ শুধু বহালই থাকে নাই, তা আরো বিশাল শক্তিধর ও কর্তৃত্বাধীন হয়েছে।
অনেকের মতে দুর্নীতি করার ক্ষেত্রে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সমান ওস্তাদী দেখাতে পারলেও পদ্ধতির ক্ষেত্রে তাদের দু’পক্ষের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে। উদাহরণ দিতে গিয়ে অনেকে এভাবে বলতো যে, আওয়ামী লীগের দুর্নীতিবাজরা বেনসন সিগারেটের প্যাকেটে স্টার সিগারেট ঢুকিয়ে বুক পকেট প্রদর্শন করে ঘোরাফেরা করে থাকে, আর বিএনপির দুর্নীতিবাজরা স্টারের প্যাকেটে বেনসন রেখে লোকজনের সামনে চলাফেরা করে থাকে। এই পর্যবেক্ষণটি সেই সত্তর-আশির দশক থেকেই প্রচলিত। এখনো তা অনেকটাই সত্য।
বিএনপি’র দুর্নীতি অনেক আধুনিক ও সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে পরিচালিত। বড় বড় অঙ্কের বিশাল সেসব লেনদেন ও পার্সেন্টেজের কারবার। শহরে আভিজাত্যের মোড়কে তা সুসজ্জিত। তাদের ক্ষেত্রে দুর্নীতির সিন্ডিকেট ব্যবস্থা মসৃন। নির্দিষ্ট ভবন ও কেন্দ্র থেকে তা পরিচালিত। নেটওয়ার্কের সবাই পরস্পরকে দুর্নীতির কাজে সহযোগিতা করে, সবাই দুর্নীতির ফসলের ভাগ পায়। সবাই সহজে সে লুটপাটের খবর টের পায় না। ঝাগড়া-বিবাদও কম হয়। একটি মসৃণ মেশিনের মতো সমস্ত প্রক্রিয়াটি কাজ করে যায়।
আওয়ামী লীগের দুর্নীতি সেই তুলনায় অনেকটাই অনাধুনিক ও গ্রাম্য ধাঁচের। তাদের দুর্নীতির সাংগঠনিক-প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা খুবই কাঁচা, এমনকি তা নেই বললেই চলে। উপর-নিচ সব ক্ষেত্রেই এখানে ব্যক্তিগত প্রয়াস ও একান্ত ব্যক্তিগত স্বার্থই দুর্নীতির প্রধান ভিত্তি। শৃঙ্খলার সাথে দুর্নীতির ফসল পরস্পর মিলে ভাগ বাটোয়ারা করে নিতে তারা কার্যত অপারগ। কেউ অন্য কাউকে ভাগ দিতে রাজি নয়। তাই লুটপাটের ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে নিজেদের মধ্যে প্রকাশ্য সংঘাত, হানাহানি ও নৈরাজ্য অনেক বেশি। দুর্নীতির সমগ্র প্রক্রিয়া “পারসনালাইজম” হওয়ার কারণে তা এক অর্থে বিকেন্দ্রীভূত। তৃণমূল থেকে ঊর্ধ্বতন স্তর পর্যন্ত পর্যায়ে পর্যায়ে তা বিস্তৃত হলেও সব স্তরেই তার ক্রীড়নক ক্যাডার-কর্মী-নেতারা স্বাধীন-স্বতন্ত্র-স্বউদ্যোগী একেকটি বিচ্ছিন্ন দুর্নীতির ইউনিট। আওয়ামী লীগ প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণ করেনি, কিন্তু দুর্নীতির বিকেন্দ্রীকরণ ভালোভাবেই করতে পেরেছে।দুর্নীতিবাজদের রুখতে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলতে হবে, জেহাদ করতে হবে, যুদ্ধ করতে হবে এদের বিরুদ্ধে। আজকে বাংলার জনগনের এক নম্বর কাজ হবে দুর্নীতিবাজদের বাংলার মাটি থেকে উৎখাত করা। গণআন্দোলন করতে হবে। এমন আন্দোলন করতে হবে যে, যে ঘুষখোর, যে দুর্নীতিবাজ, যে মুনাফাখোরঃ তাদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে।
বঙ্গবন্ধু দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে তৃণমূলে ছড়িয়ে দেয়ার ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই দুর্নীতিবিরোধী অভিযান নয়, বর্তমানে বরঞ্চ উল্টো দুর্নীতিই ছড়িয়ে পড়েছে তৃণমূল পর্যন্ত। আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব কি এই উল্টোমাত্রার পরিস্থিতি উপলব্ধি করতে সক্ষম হবেন? তারা কি দলকে ফিরিয়ে নিতে পারবেন বঙ্গবন্ধুর আহ্বানের ধারায় গ্রামে গ্রামে দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন সংগঠিত করতে? ইতিহাস এই শিক্ষাই দেয় যে, ‘রাজনীতি হলো অর্থনীতিরই ঘনীভূত প্রকাশ’। একটি দল ও তার নেতৃত্ব কোনোদিন তার শ্রেণী স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠতে পারে না। তাই, একটি মহা জন জাগরণই কেবল প্রবল ঝাঁকুনি দিয়ে পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তনের ধারা সূচনা করতে পারে। যেমন করেছে রূপগঞ্জের সাধারন জনগন।অন্য কিছু নয়……………………..।
-
কদর্য এশীয়
পোস্টটি মন্তব্য আকারে দিয়ে ফেলেছেন। আপনাকে লেখক হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে, এই লেখাটিকে পোস্ট আকারে প্রকাশ করুন।
-
-
পারভেজ রবিন
‘নিউজ ৩৯’ দোহার ও নবাবগঞ্জ জন্য একটি অনলাইন পত্রিকা। যদিও এটি লোকাল খবরকে প্রাধান্য দেয়, তবু আন্তর্জাতিক, জাতীয় ও খেলাধুলার খবরকেও গুরুত্ব দিয়ে থাকে। পত্রিকার ওয়েবসাইট http://www.news39.net -এ নিয়মিত ভিজিট করুন, চলমান বিশ্বের সাথে আপডেট থাকুন, ও দোহার-নবাবগঞ্জকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে আমাদের সঙ্গী হোন। এই দূর্গম পথচলায় আপনাদের সহযোগীতা কাম্য। নিউজ ৩৯-এর ফেসবুক পেজে (http://www.facebook.com/News39) যোগ দিন, আপনাদের মতামত জানান, লিখুন আপনার এলাকার জন্য, হয়ে যান নিউজ ৩৯-এর একজন।
-
-
The Ugly Asian
সিটি ব্যাংক আসছে জয়পাড়ায়, বেসরকারী ব্যাংকের সংখ্যা দাড়াল বারোতে
খুব শীঘ্রই জয়পাড়া পূর্ব বাজারে চালু হচ্ছে সিটি ব্যাংকের এসএমই শাখা। সিটি ব্যাংক সহ জয়পাড়ায় বর্তমানে বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক হল বারোটি। এছাড়া রয়েছে তিনটি সরকারী ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক ও গ্রামীন ব্যাংক। জয়পাড়ায় প্রথম বেসরকারী ব্যাংক হিসেবে আসে এবি ব্যাংক এর পর মার্কেন্টাইল ব্যাংক। এখানে মাত্র এক বর্গকিলোমিটারের ভেতরে সরকারী বেসরকারী মিলিয়ে মোট বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে পনেরটি। কোন শহরাঞ্চলের বাইরের জন্য একটি রেকর্ড হবার সম্ভবনা আছে(দোহার যদিও পৌরসভা তবু এটি এখনো শহুরে যোগ্যতা অর্জন করতে পারে নি)। জয়পাড়ার বাইরে বেশক’টি সরকারী ও বেসরকারী ব্যাংক রয়েছে।
বেসরকারী ব্যাংক সমূহ (জয়পাড়া):
১. এবি ব্যাংক
২. মার্কেন্টাইল ব্যাংক
৩. ওয়ান ব্যাংক
৪. ঢাকা ব্যাংক
৫. ডাচ বাংলা ব্যাংক পুরোটা পড়ুন -
বইপোঁকা
কন্ট্রিবিউটর হিসেবে যুক্ত হলাম
আমাকে এই ব্লগের কন্ট্রিবিউটর হিসেব আমান্ত্রন জানানো হয়েছে। কন্ট্রিবিউটরের অধিকার ও দ্বায়িত্ব বুঝে উঠার চেষ্টা করছি।!
-
theuglyasian
পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। এখনো প্রচার শুরু হয় নি।
-
-
The Ugly Asian
যেমন দোহার স্বপ্নে আমার
কাউকে যদি জিজ্ঞেস করি আপনার বাড়ী কোথায়, উত্তরে খুলনা বা ময়মনসিং বললেই চলে। কিন্তু আমরা এমন একটি যায়গায় বাস করি যার উত্তরে শুধু জেলার নাম বললেই চলে না। উপজেলার অবস্থান সহ বলতে হয়, এই আমাদের দোহার, পদ্মাছোয়া দোহার, বাংলাদেশের অন্যতম অগ্রগতিশীল অর্থনৈতিক অঞ্চল। দেশের অন্যতম বৃহত্তম রেমিটেন্স অর্জনকারী এলাকা। এর তাত শিল্পের রয়েছে সমৃদ্ধ অতীত, সব ইতিবাচকতার সমৃদ্ধি যেমন ‘অতীতে’ই থাকে। দোহারের প্রধান দুই পেশা তাতশিল্প আর কৃষি যখন ক্রান্তিকালের দিকে রাওনা দিচ্ছে, একে এক তাতগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, কৃষি জমি কমে যাচ্ছে, মানুষ কৃষি হতে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে দোহারবাসী একটি ব্যাপক অর্থনৈতিক দুরব্স্থার জালে জড়িয়ে যাচ্ছে, তখন অনিশ্চিত অন্ধকারের হাতছানি। এই সময়ে এই দুরবস্থা কাটাতে মানুষ ব্যাপক হারে পাড়ি জমাতে লাগল প্রবাসে। আজ দোহারে এমন পরিবার খুজে পাওয়া দুষ্কর যার কোন সদস্য প্রবাসী নয়। এই অভিবাসন শুধু স্থান বা দেশগত অভিবাসন নয়, এটি পেশারও অভিবাসন। ঐতিহ্যবাহিক পৈত্রিক পেশা হতে অজানা অনিশ্চিত পেশার দিকে অভিবাসন। অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নিশ্চিৎ করতে গিয়ে দোহারের নতুন প্রজন্ম উচ্চ শিক্ষা হতে দুরে সরে গেল। এটা হল দু’ভাবে। এক প্রজন্ম বিদেশ পাড়ি দিল আর দেশেই জীবিকা অন্বেষণে ব্যাপ্ত হল, যারা শিক্ষা হতে ঝড়ে পড়ল না তাদের সংখ্যা খুব বড় নয়। আর পরের প্রজন্ম উচ্চশিক্ষা ছাড়াই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সোনালী অন্ধকারে পড়ে শিক্ষার অপ্রয়োজনীয়তা আবিষ্কার করল। পুরোটা পড়ুন
-
The Ugly Asian
দোহার ব্লগ…………. দোহারের বুকে যত কথা
শুরু হল দোহার উপজেলার জন্য ব্লগসাইট দোহার ব্লগ। এটির উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে। তাই এখনো সবার জন্য উন্মুক্ত নয়। এটি উন্মুক্ত করার পর সকলেই এখানে লেখার সুযোগ পবেন।
অনেকদিন আগে থেকেই চিন্তা ছিল দোহার উপজেলার জন্য একটি ওয়েবসাইট বানাব। কিঞ্চিত আলোচনাও চলছিল। কিন্তু প্রযুক্তিজ্ঞান আর অর্থের অভাবে বাস্তব কোন অগ্রগতি হচ্ছিল না। এছাড়া আর একটি দুশ্চিন্তা ছিল মাত্র দু-তিনজনে এই কাজ এগিয়ে নেয়া খুব সহজ হবে না। দোহারের বিভিন্ন ইতিহাস, বিভিন্ন যায়গার বিবরন ও অন্যান্য বিষয় আমরা কতদিনে লিখব, আর সেগুলোর নির্ভূলতার যাচাই করাও সহজ নয়। তাই মাথায় এলো ব্লগের কথা। আর এজন্য রয়েছে সেরা প্লাটফর্ম ওয়ার্ডপ্রেস। পুরোটা পড়ুন
-
MD.RANA MIA
hi I am rana . Iam a student of jagannath university.My Vill mahamudpur post.Horichondi ,Dohar,Dhaka.
This is really nice step to me . i appreciate. Also i have an intension to open a website for Dohar. so i am eager to help from you. My contact no is +8801712740046-
The Ugly Asian
আপনার মন্তব্য পড়ে ভাল লাগছে যে এটির প্রচার শুরু করার আগেই আপনি এখানে এসেছেন। ব্লগেই আপনার সাথে দোহারের ওয়েবসাইট নিয়ে আলোচনা হবে। তবে এই পোস্টেই আমি আমার মত জানিয়েছি।
-
-
Hamidur Rahman ( Palash )
I am Hamidur Rahman ( Palash ). Come from Dohar, Dhaka Village: Botia. Very good news for all of us who are stay in abroad. We are really happy for this momentous step.
-
Hamidur Rahman ( Palash )
জীবনের নির্জন মহাসড়কে চলার পথে দু’একজন ভালো বন্ধু পাওয়া সবচেয়ে কঠিন। বন্ধুত্ব সে তো মুছে দিতে পারে চোখের দু’ফোটা অশ্রু। বন্ধুত্ব সেতো দিতে পারে একমুঠো আশা – বিশ্বাস আর অসীম নির্ভরতা। বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিলাম দোহার ব্লগে। মনে চাইলে সঙ্গী করে নিও হে ………… দোহার বাসী।
-
The Ugly Asian
মন চাইলে নয়, অলরেডি চেয়েই বসে আছে দোহার। আপনাকে ইনভাইট করা হয়েছে। আশা করি খুব দ্রুতই লেখা শুরু করবেন। ভাল থাকবেন।
-
-
-









1STBSRS 958.00 -25.25 -2.64%
2NDICB 2100.00 90 4.29%

এনাম তোমার কাছে এন্তার এন্তার লেখা চাই।
আর এই লেখাটির বিষয়ে পরে মন্তব্য করছি।